ট্রোজান হর্সের প্রাচীন ইতিহাস, কৌশলে মিল থাকায় আধুনিক কম্পিউটার ভাইরাসের নাম “ট্রোজান হর্স”

ট্রয় নগরীর প্রিন্স ‘প্যারিস’ চেয়েছিলেন এক অসম্ভব সুন্দরী মহিলাকে বিয়ে করতে (ট্রয় নগরী যা বর্তমানে তুরস্কের আনাতলিয়া)। সে ‘হেলেন’ নামক এক গ্রীক সুন্দরীর প্রেমে পড়ে যান। প্রিন্স প্যারিস হেলেনকে ট্রয় নগরীতে নিয়ে যান। কিন্তু হেলেন ছিল বিবাহিত মহিলা। হেলেনের স্বামী ট্রয়ের বিপরীতে যুদ্ধ ঘোষনা করেন। ট্রয় নগরীর দেওয়াল ছিল খুব উচ্চ এবং শক্ত। গ্রীক ও ট্রোজানদের এই যুদ্ধে প্রিন্স প্যারিস মারা গেলেও হেলেন ট্রয়ের ভেতরেই থেকে গেল এবং গ্রীকেরা তেমন কিছুই করতে পারল না। তখন একটা নিয়ম ছিল, কেউ যদি সম্মানের সহিত যুদ্ধের ইতি টানতে চায় তো প্রতিপক্ষের নিকট একটি ঘোড়া ছেড়ে দিত। গ্রীকেরা একটি বড় কাঠের ঘোড়া তৈরী করে ট্রয় নগরীর সামনে রেখে আসে। ট্রোজানরা এটা উপহার মনে করে নগরীর ভেতরে নিয়ে যায়। কিন্তু কাঠের এই মস্তবড় ঘোড়ার ভেতর যে সৈন্য ভরা ছিল তা তারা বুঝতে পারে নি। রাতের বেলায় ঘোড়া থেকে সৈন্য বের হয়ে নগরীর দরজা খুলে দেয় এবং বাহির থেকে সৈন্য নগরীর ভেতরে ঢুকে পরে। ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়।

ট্রোজানদের এই ঘোড়াই তাদের কাল হয়ে দাড়াল। ট্রোজান হর্সের এই ঘোড়ার মত করেই বর্তমানের এক প্রকার কম্পিউটার ভাইরাস কাজ করে। ট্রোজান হর্স ভাইরাসের বিস্তারিত, ট্রোজান ভাইরাস কিভাবে কাজ করে, কিভাবে বানানো হয় তা জানতে এখান থেকে ঘুরে আসুন।

ট্রোজান হর্স যেমন অতি কৌশলে ট্রয় নগরীতে ঢুকে ট্রোজানদের ইতি টেনে ছিল, ঠিক তেমনই কম্পিউটার ভাইরাস ট্রোজান হর্স আপনার চোখের সামনে দিয়েই আপনাকে বোকা বানিয়ে আপনার কম্পিটারে ঢুকে সকল তথ্য হ্যাকারের কাছে পৌছে দেয়। এই জন্যই এই ভাইরাসের নাম ট্রোজান হর্স

ভাল লাগলে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন ফেইসবুকে নিয়মিত আপডেট পেতে।

Leave a Reply

You cannot copy content of this page